Chhatra League students chant violent slogans against opposition students in front of police

Despite an unprecedented level of manipulation took place during the DUCSU election at Dhaka University Sadharon Chhatro Adhikar Porishad leader Nurul Haque Nur has been elected Vice President following his overwhelming victory. Supporters of Chhatra League, the student wing of ruling Awami League, attacked Nur violently during the polling at the university.

Chhatra League supporters attacked and injured Nur seriously when he led the Quota Reform movement last year. He had to spend long time recovering in the hospital. Today Chhatra League supporters attacked him violently again, after he was declared the winner at the Ducsu poll.

Chhatra League and its mentor Awami League identify all their opponents as Jamaat Shibir cadres, Islamists and militants and aim to eliminate all of them in all ways possible. (Shibir or Islami Chhatra Shibir is the student wing of Bangladesh Jamaat e Islami, an Islamic political organisation.) This way they demonise all opponents and justify their elimination.

Today, after the DUCSU poll results were declared, Chhatra League supporters started shouting slogans that they would skin Nur alive. In the presence of police today they shouted violent slogans like, “Catch all supporters of Shibir and slaughter them”. This video shows that when they were shouting such violent slogans, police formed a ring around them and it appeared that they were under protection there.

Chhatra League activists are openly giving calls to slaughter their political opponents while their parent organisation of Awami League keep presenting itself as a secular and progressive party. Interestingly, many around view Awami League as a party as it claims to be. This is surprising.

Click here to read the original Facebook post

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নজিরবিহীন ভোট কারচুপির পরেও সাধারণ ছাত্রদের নেতা নুরুল হক নুর বিপুল ভোটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হয়েছে।

গতকাল ভোট চলাকালীন নুরের উপরে ছাত্রলীগ হামলা করে তাকে আহত করে। এর আগেও কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ নুরের উপরে হামলা করে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করেছিলো। তাকে দীর্ঘদিন হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিলো। আজকেও নির্বাচনে বিজয়ের পরে নুর হাসপাতাল থেকে অসুস্থ ও আহত শরীরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এলে তার উপরে লাঠি সোটা নিয়ে ছাত্রলীগ আবারো হামলা করে।

ছাত্রলীগ ও তাদের মুরুব্বি আওয়ামী লীগ তাদের বিরোধী সবাইকে জামাত শিবির ইসলামপন্থী ও জঙ্গী বলে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের নির্মূল করে দেয়ার রাজনীতি করেছে। এভাবে সে তার বিরোধীদের দানব হিসেবে উপস্থাপন করে তাদের নির্মূলের বৈধতা নেয়।

এবারো নুরকে শিবির বলে তার চামড়া তুলে নেয়ার শ্লোগান দিচ্ছে ছাত্রলীগ। শুধু তাই নয়, তারা পুলিশের উপস্থিতিতে “ শিবির ধরো, জবাই করো” এই ভয়ানক শ্লোগান উৎসাহভরে দিচ্ছে আর পুলিশ তাদের পাহারা দিচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ধরে ধরে জবাই করার শ্লোগান প্রকাশ্যে দিলেও এই আওয়ামী লীগ সারা দুনিয়ার কাছে স্যেকুলার আর প্রগতিশীল বলে নিজেদের উপস্থাপন করে। কেউ কেউ আবার আওয়ামী লীগের এই দাবীকে মেনেও নেয়। বড়ই আশ্চর্য।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter