Engineering student vanishes from Dhaka, remains untraced for 19 months

After sitting for his final semester exam, Ishraq Ahmed, a student of the computer science and engineering department of Canada’s McGill University returned home in Bangladesh on holidays. He was set to return to Canada on September 2, 2017. About a week ago, on August 26 (2017), Ishraq went missing from around his home in Dhaka. He went out that afternoon and was supposed to return home in the evening. But, it has been 19 months that he has not returned home and remains missing.

On August 26, 2017, while Ishraq was away, one car from CPC-1, which is under RAB-2, came to Ishraq’s house. That night Ishraq’s parents lodged a missing complaint with local police station. Next morning, Gazi Jahidul Hassan, one CPC-1 officer visited Ishraq’s home and took away his laptop. Maj Md Ataur Rahman, who then headed CPC-1, too visited Ishraq’s house around that time.

It was clear that RAB-2 battalion was monitoring all activities surrounding the disappearance of Ishraq.

Around that time, one source related to the police took money from Ishraq’s parents with a promise that he would help him return home. But, the source later returned the money saying that he would not be able to help. Another officer from a law enforcement agency demanded 20 million takas from Israq’s parents then.

A source from the Detective Branch (DB) of police said to Prothom Alo newspaper: “If one intelligence agency is found involved in any such case, no other agency intelligence or law enforcement agency wants to be meddle in it.”

From this report of Prothom Alo it’s clear:

1. Police collects good amount of money from the families of victims promising to release the abductees.

2. Intelligence agencies are behind at least some of the cased of such disappearances.

3. In the case of disappearance of Ishraq RAB was involved for which no other agencies showed interest to find out the missing student.

4. The intelligence agencies in Bangladesh pick up people without any warrant or magisterial order and nobody can demand accountability from those agencies. The disappeared people may remain captive for indefinite period. They may even never return.

These are what we see happening in Bangladesh today. The global community does not seem to be perturbed to know of such horrifying level of ongoing human rights violations in Bangladesh.

These Bangladeshi agencies receive training and other logistical supports from the Western powers. Do those Western countries bear no responsibility as the Bangladeshi agencies make people victims of enforced disappearances and indulge in other rights violations?

Will people in Bangladesh have to bear with everything quietly with the international community staying nonchalant around them?

Click here to read the original Facebook post

 

ইশরাক আহম্মেদ কানাডার প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ফাইনাল সেমিস্টার পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি এসেছিলেন তিনি ২০১৭ সালে। সেই বছরেরই সেপ্টেম্বর-এর দুই তারিখে কোরবানির ঈদের রাতে তার ফিরে যাওয়ার কথা ছিলো কানাডাতে। কিন্তু তিনি আগস্টের ছাব্বিশ তারিখে ঢাকা থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। ঢাকার বাসা থেকে সন্ধ্যায় যেখানে গিয়েছিলো ইশরাক, সেখান থেকে হেঁটে বাসায় পৌঁছাতে সময় লাগার কথা দুই থেকে আড়াই মিনিট। কিন্তু ১৯ মাস পরও ইশরাক বাড়ি ফিরতে পারেননি।

সে রাতেই নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।থানায় জিডি করার আগেই র‍্যাব-২-এর অধীন সিপিসি-১-এর একটি গাড়ি ইশরাকের বাসায় আসে। পরদিন সকালে সিপিসি-১-এর সে সময়কার উপসহকারী পরিচালক গাজী জাহিদুল হাসান বাসা থেকে ইশরাক আহম্মেদের ল্যাপটপ নিয়ে যান। তাঁর বাসায় পুলিশ ছাড়াও সিপিসি-১-এর তৎকালীন অধিনায়ক মেজর মো. আতাউর রহমান আসেন। পুরো ঘটনার নজরদারি করে র‍্যাব-২।

এর মধ্যে পুলিশের একটি প্রভাবশালী সূত্র ছেলেকে খুঁজে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্য এক কর্মকর্তাও আবার দুই কোটি টাকা দাবি করেন।

ডিবির সূত্র প্রথম আলোকে বলে, “কেউ নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কোনো একটির সম্পৃক্ততা থাকলে অন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আর সেদিকে আগায় না।”

এই ঘটনার প্রতিবেদনে কয়েকটা বিষয় স্পষ্ট হয়েছে।

১/ পুলিশ আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়ার নাম করে ভুক্তভোগীদের কাছে থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়।

২/ নিখোঁজের ঘটনার সাথে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কখনো কখনো যুক্ত থাকে।

৩/ এই নিখোঁজের ঘটনার সাথে র‍্যাব যুক্ত এবং সেকারণেই অন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সেটা নিয়ে কাজ করছে না।

৪/ বাংলাদেশে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কোন জবাবদিহিতা ছাড়াই যে কাউকে তুলে নিয়ে যেতে পারে। অনির্দিষ্ট কাল আটকে রাখতে পারে, এমনকি সেই নিখোঁজ ব্যক্তি আর কখনো ফিরে আসতে নাও পারে।

এটাই হচ্ছে আজকের বাংলাদেশের চিত্র। বিশ্ব সম্প্রদায় এই ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ধারাবাহিক ঘটনায় দৃশ্যতঃ বিচলিত নয় বলেই মনে হচ্ছে। এই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে লজিস্টিক্স এবং ট্রেনিং কিন্তু পশ্চিমা শক্তিগুলোই দিয়েছে। পশ্চিমাদের কি এই গুম আর রাষ্ট্রিয় বাহিনীর অপহরণের ঘটনায় কোন দায় নেই? এই অবস্থাকে মেনে নেয়াই কি বাংলাদেশের মানুষের নিয়তি?

 

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter