In the general election “neutral” election observer group was headed by an Awami League MP!

The government of Bangladesh proclaimed that “foreign observers” were present during the recently held eleventh general election. Introducing themselves as foreign observer groups, “SAARC Human Rights Foundation” (SHRF) and “Election Monitoring Forum” (EMF) said in a press conference at National Press Club in Dhaka on December 31: “The Eleventh national election was more free, fair and neutral, in comparison with the elections in the past.”

In that press conference it was stated: “5,765 observers of SHRF worked during the election. Three groups of foreign observers separately visited 24 voting centres. And, the observers from EMF worked (observed polling) at 17,165 voting centres of 214 seats across the country.”

By its name “SAARC Human Rights Foundation” appears to be an international organisation spread across several south Asian countries or a body related to SAARC (South Asian Association of Regional Cooperation). Interestingly, Maulana Mohammad Abed Ali, a Bangladeshi national happens to control both the organisations which worked as poll observers. He is the general secretary of one organisation, and heads the other as its executive director.

However, it’s clear that SHRF is a Bangladesh-based organisation. It has no connection with SAARC. Very interestingly, it is R. A. M. Obaidul Muktadir Chowdhury, an Awami League MP, who happens to be the chairman of SHRF.

The policy guidelines, of the Election Commission clearly says that if one- who is or was connected to any registered political party- happens to be the chief executive or the member of the governing body of an organisation, it cannot be recognised or registered as a election observing body. But, very strangely, SHRF, despite its chairman is a ruling party MP, has been registered as an election observer group by Bangladesh’s Election Commission. It’s also interesting to know that SHRF was never engaged in observation of election in any country outside Bangladesh. It had not even worked as election observer in Bangladesh in the past.

Yet, the ruling party and its supporters are happily introducing SHRF as an “international election observer group”, aiming to fool the people in Bangladesh and elsewhere.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশ সরকার খুব ঘটা করে বলেছে নির্বাচনে বাংলাদেশে বিদেশী পর্যবেক্ষক ছিলো। বিদেশী পর্যবেক্ষক হিসেবে ‘সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন’ এবং ‘ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম’ গত ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, “একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতীতের চেয়ে অনেকাংশে ভালো, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, “সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ৫ হাজার ৭৬৫ জন সদস্য নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন।” বিদেশি পর্যবেক্ষকেরা তিনটি দলে ভাগ হয়ে রাজধানীর ২৪টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। এছাড়াও, ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম দেশের ২১৪টি আসনের ১৭ হাজার ১৬৫টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছে।

‘সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন’-এর নাম দেখে ধারণা হয় যে এগুলি মনে হয় আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক সংস্থা। মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী নামক একজন ব্যক্তিই দুটি সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি একটির মহাসচিব এবং অন্যটির নির্বাহী পরিচালক।

কিন্তু ‘সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন’ সংস্থাটি সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশ-ভিত্তিক। ‘সার্ক’-এর সঙ্গে সংস্থাটির কোনো সম্পর্ক নেই। সংস্থাটির চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর উপজেলা) আসনে আওয়ামী লীগের সাংসদ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শিকদার মকবুল হক, সাবেক মন্ত্রী নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মাহবুবুল আলম, পার্বত্য খাগড়াছড়ি আসনে জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. সোলায়মান আলম শেঠ।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালার ৪.৩ ধারায় লেখা রয়েছে, “’নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সহিত সরাসরি জড়িত ছিলেন বা আছেন কিংবা নিবন্ধন লাভের জন্য আবেদনকৃত সময়ের মধ্যে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হইতে আগ্রহী এইরূপ কোন ব্যক্তি যদি পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদনকারী কোন সংস্থার প্রধান নির্বাহী কিংবা পরিচালনা পর্ষদের বা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হইয়া থাকেন, তাহা হইলে উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন উক্ত সংস্থাকে পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধন করা হইবে না।”

কিন্তু, তারা নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিবন্ধন পেয়েছেন নির্বাচন কমিশন থেকে। এর আগে সার্ক হিউম্যান রাইটসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ বা অন্য কোনো দেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও করেনি তারা।

তারপরেও শাসক দল ও তার সমর্থকেরা এই ভুতুড়ে পর্যবেক্ষন দলকে “আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক” বানিয়ে কি সুখেই না প্রচার করছে। দেশের মানুষকে কি এরা নির্বোধ বলে মনে করে

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter