International Day of the Disappeared 2018

 

Yesterday we observed the International Day of the Disappeared. According to the rights organization Ain o Salish Kendra (ASK), since 2014, among 310 people who became victims enforced disappearance in Bangladesh, 33 returned home, 44 were found dead and 45 were shown arrested while the rest remain untraced. Since 2009, at least 435 people have disappeared this way in Bangladesh, human rights group Odhikar has reported. It’s matter of serious concern.

The government has all along denied any involvement in the cases of such disappearance. However, according to ASK, a sizeable section of the disappeared people were later found in the custody of the security agencies.

Bangladesh has not been a signatory to the announcement of paying compensation to the families of those who are victims of enforced disappearance as per Article 4 of the UN’s International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.

We have to raise our voice to force our government become a signatory to the related UN convention and take responsibility of the families of the victims of disappearance.

I convey my heartfelt sympathy towards the families of all those who disappeared. It is our collective failure that we have not been able come up with an effective level of protest against this serious human rights violation. Unfortunately, even the international community has not done anything substantial in this issue of enforced disappearance in Bangladesh.

Enforced disappearance is a serious crime against humanity. This crime should not be allowed to happen or continue in a civilized country. Let’s come together in our struggle to make Bangladesh free from fear of enforced disappearance.

গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে কাল আন্তর্জাতিক দিবস পালন হয়েছিলো সারা বিশ্বে। আইন ও শালিস কেন্দ্রের হিসাব অনুসারে ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশে গুম হয়েছেন ৩১০ জন, এর মধ্যে ফিরে এসেছেন ৩৩ জন, মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে ৪৪ জনের, ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, বাকীরা এখনো ফেরেনি। মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের হিসাব মতে ২০০৯ সাল থেকে ৪৩৫ জন গুমের শিকার হয়েছেন। সংখ্যাটি উদ্বেগজনক।

সরকার সব সময়েই গুমের ঘটনায় তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। যদিও আইন ও শালিস কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী গুমের শিকার ব্যক্তিদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশকেই পরবর্তীতে সরকারি বাহিনীর হেফাজতে পাওয়া গেছে।

গুমের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কনভেনশনের আর্টিকেল ২৪(৪) অনুসারে গুমের শিকার পরিবারকে রাষ্ট্রের তরফে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষনায় এখনো স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।

এই কনভেনশনের ঘোষনায় স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের আইনে এই ধারা সংযোজন করে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দায় নিতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করার আওয়াজ তুলতে হবে সবাইকে।

গুমের শিকার পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানাই। এটা আমাদের কালেক্টিভ ফেইলিওর যে আমরা এই মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে কোন কার্যকর প্রতিবাদ গড়ে তুলতে পারিনি, এমনকি আন্তর্জাতিক মহলও বাংলাদেশের গুমের বিষয়ে তুলনামূলকভাবে নিশ্চুপই থেকেছে।

গুম, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। এই মানবতা বিরোধী অপরাধ সভ্য দেশে চলতে পারেনা। গুমের শংকামুক্ত ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আজকের ডাক।

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter