Islamophobes thrive in the guise of secularists in Bangladesh

Some days ago Shishir, wife of cricketer Sakib Al Hassan posted a photo of their daughter on Facebook. Some thousands of Facebook users posted their comments under that photo. Among them, 4 or 5 Facebook users posted sexually explicit comments. One among those few, there was one who wore a beard and a cap.

The so-called secular group in Bangladesh, which is viewed by many as anti-Muslim, made memes using the comments from those 4 or 5 Facebook users and circulated them on Facebook. They said they did so in protest against the comments.

Interestingly, Hassan’s wife Umme Al Hassan Shishir was annoyed more by the posts of the secular group than those of the few Facebook users who posted vulgar comments about her daughter.

“We did not notice what was happening because we did not feel annoyed at all in the first place. We are public figures. We have many fans, followers and well-wishers. Also there are some who do not like me. It’s like an assorted package. We feel good to find that we are the cynosure of people’s attention. Celebrities around the world face many serious issues. But in other countries they do not have time to scan all comments and pick up 4 or 5 bad comments,” She wrote in a Facebook post on Friday.

“I am not thinking about those few comments because they did not trouble me at all. But I am thinking about the admins of those pages who found and picked up those 4 or 5 comments.”

The anti-Islam so-called secular groups of Bangladesh appear to be discomforted by the comment of Shishir because, they think, they have missed a chance to spread a hate campaign against Islam. Now they are calling Shishir “Chhagee” or female goat. “Chhagu” is an online term to identify Islamic men. So, Chhagee is an Islamic or Islamist woman.

Secularism has existed in Bangladesh in the shape of an anti-Muslim animosity, right from the beginning of its practice in the country, historically. So, the majority Muslim community in Bangladesh has never accepted the term of secularism well.

During the British period, poor Muslim subjects used Islam’s identity to launch the movement for abolition of zemindari system. Incidentally, the zemindars were mostly Hindu. Europe’s Peasant Revolts also had had a Christian identity.

The zemindari system was abolished in what was called East Bengal as soon as the Partition took place. With the abolition of the zemindari system, the Hindus lost their monopolistic political, cultural and social authority and power. In hordes, Hindus began leaving the country. A section of Hindus stayed back; their successors are living in Bangladesh now.

Why did the Hindu-Muslim communal riot take place surrounding the issue of Partition in 1947? The issue that triggered the riot has remained an uncomfortable context for political parties and followers of the two religions. Different groups, who took part in the pogrom as political parties or religious groups nobody imagined in the beginning that they would land in a bloodied riot. However, no party or group later finally succeeded to present their explanation on why exactly they had participated in the riot.

After losing out on riches, property, social prestige and power, the Hindu community felt utterly disappointed and perplexed. For their miseries, they slapped the blame on Muslims and their faith of Islam. And it led to the political belief that the “religion or religious difference was at the root of all partition-triggered miseries”. It looked odd if they said the religion of the Muslims was the cause of the trouble, they felt. So, when asked about the problem and its solution, they presented the idea of a society without any religion.

After the Partition, the Hindu community lost its political, cultural and social clout. And, their previous statement on the riot became useless. They began the search for a new statement to adapt themselves to the newly evolved situation. They came up with a statement based on the hypothesis of a religion-less society. The institution that they used to present the new statement was the communist party, which is known as the Communist Party of Bangladesh or CPB. They used the platform of the CPB to steer themselves out of confusion.

Young members from the Hindu families who lost their zemindari and stayed back began joining the CPB. Even the elite Hindu middle class began joining the party. If you take a look at some icons of the communist party in the country you will know this truth. Comrades like Mani Singh, Barun Roy, Ila Mitra, Rabi Niogi, Hemanga Biswas Amal Sen, Sududas Talukder, Dhiren Sil and others were all directly related to erstwhile zeminder families. One was even from a former Nayeb family.

Later because of a failed military coup in West Pakistan in 1951, the communist party was banned. Yet, the influence of the Hindu middle class remained growing in the party. Hindus had kept nurturing an animosity towards Muslims then. Hindus believed: “By joining the communist party all will turn atheist and even the Muslims would move away from Islam. Since we have lost our zemindari because of the Muslims, Hindus in the country will become safer and would not face trouble, if the Muslims turn atheist.” This could be a possible reason why the culture or practice of atheism became widespread in the communist party in East Bengal.

Those who joined the pro-China communist party were largely out of this circle of the Hindu politics. After the communist party got divided, the influence of the Hindus massively increased in the pro-Russia communist party. This faction of the CPB mostly led the cultural and intellectual development of Bangladesh. For this reason, whatever we hear, read or, know in the name of secularism from the CPB is largely influenced and evolved by the Hindu politics.

In Bangladesh, our main fight is against the anti-Islam politics which has thrived in the guise of secularism. This is the reason why they campaign that we are anti-secular, communal and even Islamist. It should be the duty of the progressive people around the world to expose the so-called secularists who indulge in anti-Islamic politics. Communist parties around the world should break with the racist and Islamophobic CPB.

Click here to read the original Facebook post

কিছুদিন আগে বাংলাদেশের ক্রিকেট অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসানের স্ত্রী শিশির তার শিশুকন্যার একটা ছবি ফেইসবুকে পোষ্ট করে। সেইখানে কয়েক হাজার কমেন্টের মধ্যে চার থেকে পাচটা বাজে যৌন ইঙ্গিতপুর্ণ কমেন্ট করা হয়। ঘটনাচক্রে বাজে কমেন্টকারীদের মধ্যে একজন ছিলো দাড়ি ও টুপি পরিহিত।

বাংলাদেশের ইসলাম বিদ্বেষী তথাকথিত স্যেকুলারেরা সেই কমেন্টগুলোর মিম বানিয়ে প্রতিবাদের নামে ইসলামবিদ্বেষে ফেইসবুক ভরিয়ে ফেলে।

সাকিব আল হাসানের স্ত্রী উম্মে আল হাসান শিশির বাজে মন্তব্যকারীদের চেয়ে বরং যারা ওই মন্তব্যগুলো ফলাও করে প্রচার করেছেন তাদের ওপরই বেশি বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।

ফেসবুকে শিশির লিখেন, কি হচ্ছে তা আমি খেয়ালও করিনি কারণ, এতে আমরা বিব্রত হয়নি। পাবলিক ফিগার হিসেবে আমাদের অনেক ফ্যান ফলোয়ার্স আছেন, অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী যেমন আছেন তেমনি কিছু লোক আছেন যারা পছন্দ করেন না; এটা সম্পূর্ণ একটা প্যাকেজের মতো। আমরা সব সময় মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকি এবং এটা ভালো। বিশ্বের অনেক সেলিব্রিটি অনেক গুরুতর বিষয় ফেস করেন কিন্তু অন্য দেশগুলোতে তাদের এতোটা সময় নেই যে, হাজারো ভালো কমেন্টের মধ্য থেকে ৪/৫টা খারাপ কমেন্ট খুঁটে খুঁটে বের করবে।

তিনি বলেন, আমি ওই সকল মন্তব্যকারীদের নিয়ে ভাবছি না কারণ সেগুলোতে আমরা বিব্রত হইনি বরং ওই সকল পেজের এডমিনদের নিয়ে ভাবছি যারা ওই চারটা কমেন্ট খুঁজে বের করে ছোট্ট একটা বিষয়কে বড় করে তুলেছে।

শিশিরের এই মন্তব্যে ক্ষেপেছে বাংলাদেশের তথাকথিত ইসলাম বিদ্বেষী সেক্যুলারকুল। কারণ এই ঘটনাকে পুঁজি করে ইসলামবিদ্বেষ ছড়ানোর একটা মওকা হাতছাড়া হয়ে গেলো। তারা এখন খোদ সাকিবের স্ত্রীকে “ছাগী” বলে অভিহিত করছে। “ছাগু” শব্দটা বাংলা অনলাইনে ব্যবহার করা হয় ইসলামপন্থীদের বুঝানোর জন্য, তাই “ছাগী” হচ্ছে ইসলামপন্থীর মহিলা ভার্সন।

ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশে সেক্যুলারিজম ইসলাম বিদ্বেষের চেহারা নিয়ে হাজির আছে সেক্যুলারিজম চর্চার শুরু থেকেই। এর ফলে বাংলাদেশে সেক্যুলারিজম শব্দটা নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে অস্বস্তি আছে।

বৃটিশ আমলে জমিদারি উচ্ছেদের আন্দোলন করেছিলো দরিদ্র মুসলমান প্রজারা ইসলামের নামচিহ্ন ধারণ করেই। ঘটনাচক্রে জমিদারেরা ছিলো হিন্দু সম্প্রদায়ের। ইউরোপেও কৃষক বিদ্রোহ সংগঠিত হয়েছিলো খ্রিস্টান ধর্মের নামচিহ্ন ধারণ করেই।

দেশভাগের সাথে সাথে পূর্ব বঙ্গে জমিদারি শাসন কার্যত উচ্ছেদ হয়ে যায়। হিন্দু সম্প্রদায় হারায় তাঁর একচেটিয়া রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্তৃত্ব ও প্রতিপত্তি। ব্যাপক হারে দেশ ত্যাগের ঘটনা ঘটে। থেকে যায় যারা তারাই আজকের বাংলাদেশী হিন্দুদের পূর্বসুরী।

৪৭ কে ঘিরে এই অঞ্চলে দুই ধর্ম সম্প্রদায়ের দাঙ্গা কেন হয়েছিল? তা যে কারণেই হোক, এই বিষয়টা যে কোন রাজনৈতিক দল, বা ধর্মের অনুসারী সবার কাছেই এক অস্বস্তিকর প্রসঙ্গ হয়ে আছে। বিভিন্ন দল ও সম্প্রদায় রাজনৈতিক বা ধর্মীয় যে যেভাবে লড়েছিল কেউই অন্তত আশংকা করে নাই যে একটা পারস্পরিক রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের। ফলে বাইরে বলার জন্য দুপক্ষের আলাদা বয়ানে যাই থাক না কেন; যে কোন রাজনৈতিক পক্ষই একান্তে নিজের কাছে বলবার মত এর কোন গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হাজির করাতে পারেনি।

হিন্দু সম্প্রদায়ও হয়ে পড়েছিল বিহ্বল; সামাজিক সন্মান, সম্পদ, জমিদারি, দেশ হারিয়ে সব দায় চাপিয়েছিল মুসলমান সম্প্রদায় এবং তার আচরিত ইসলাম ধর্মের উপর। তাই সবকিছু ফেলে মনের গভীরে এক রাজনৈতিক অনুমানের জন্ম দিয়েছিলো যে, “ধর্মই তার দেশ বিভাগ ঘটিত সব দুর্দশার মূল”। কিন্তু “মুসলমানের ধর্মটাই সমস্যার মূল কারণ” একথা বলা যায় না বলে তারা সমস্যা ও তার সমাধান হিসেবে সাধারণভাবে ধর্মবিহীন বা নিধর্মী এক সমাজের ধারণা হাজির করেছিল।

দেশভাগের পরে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রতিপত্তির হারানোর মানে সাথে সাথে হিন্দুদের সব পুরান বয়ানও হারিয়ে অকেজো হয়ে যায়। তাই নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে টিকে থাকার জন্য সে নতুন বয়ান গঠনের সন্ধানে নামে। আর নিধর্মী এক সমাজের অনুমানের উপর দাঁড়িয়ে সেই নতুন বয়ানটা সে হাজির করেছিল যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সে হল কমিউনিস্ট পার্টি বা এর নাম আজকের সিপিবি। বিহ্বল অবস্থা কাটানোর জন্য সে আশ্রয় করেছিল কমিউনিস্ট পার্টিকে।

পূর্ব বঙ্গে থেকে যাওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে জমিদারি হারানো পুরনো জমিদার বংশের ছেলেরা ও অভিজাত হিন্দু মধ্যবিত্তরা এই পার্টিতে দলে দলে ঢুকতে থাকে। কমিউনিস্ট রাজনীতির কয়েকজন আইকনকে দেখলেই এই কথার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যাবে। কমরেড মনি সিংহ, বরুন রায়, ইলা মিত্র, রবি নিয়োগী, হেমাঙ্গ বিশ্বাস, অমল সেন, গুরুদাশ তালুকদার, ধীরেন শীল সহ আরো অসংখ্য নেতার নাম করা যায়, যারা সকলেই প্রত্যক্ষভাবে জমিদার এবং এক নায়েব পরিবারের সন্তান।

পরবর্তিতে ১৯৫১ সাল থেকে পাকিস্তানে ঘটা ব্যর্থ সামরিক ক্যু এর পরিকল্পনার কারণে কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও হিন্দু মধ্যবিত্তের এক বড় প্রভাব ছেয়ে বসতে থাকে কমিউনিস্ট পার্টিতে। সে সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যাপক ভাবে সিপিবি করার করার পিছনের মনস্তাত্ত্বিক কারণ এটাই। সারকথায় বললে, সেই থেকে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় ভেবে এসেছে যে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে তার পোষা বিদ্বেষ বিরাগ সেটার একটা ফয়সালা হতে পারে এভাবে যে, “কমিউনিস্ট হবার বদৌলতে যদি সকলেই নাস্তিক হয়ে যায় তাহলে মুসলমানেরাও নাস্তিক হয়ে তার ধর্ম ইসলাম থেকে সরে যাবে। যেহেতু ইসলাম ধর্মের কারণেই আমরা আমাদের জমিদারি হারালাম সেই ইসলাম ধর্ম থেকে মুসলমানেরা নাস্তিক হয়ে সরে গেলে হিন্দুরা নিরাপদ হবে এবং ভবিষ্যতে তারা আর কোন বিপদে পড়েবে না।” পূর্ব বঙ্গে কমিউনিস্ট পার্টিতে নাস্তিকতার ব্যাপক চর্চার এটাও একটা সম্ভাব্য কারণ।

বাংলাদেশে চিনপন্থী কমিউনিস্ট পার্টিতে যারা যায় তারা মুলত ছিলেন এই হিন্দু রাজনীতির বলয়ের বাইরে। ফলে কমিউনিস্ট পার্টি ভাগ হয়ে যাওয়ার পরে কমিউনিস্ট পার্টি রুশপন্থী অংশে হিন্দু প্রভাব আরো জেকে বসে। এই সিপিবিই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তির অন্যতম উতস ছিলো। সেকারণেই সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে যে বয়ান বাংলাদেশের শিক্ষিত মধ্যবিত্তের মধ্যে চালু আছে তা মূলত সিপিবির হিন্দু রাজনীতি প্রভাবিত এবং উদ্ভাবিত বয়ান।

বাংলাদেশে আমাদের লড়াই মূলত সেক্যুলারিজমের নামে ইসলাম বিদ্বেষের রাজনীতির অবসায়ন। এই কারণেই আমাদের সাম্প্রদায়িক, সেক্যুলারিজমের বিরোধী এমনকি ইসলামপন্থী বলে প্রচার চালানো হয়। বাংলাদেশে তথাকথিত সেক্যুলারপন্থীদের ইসলামবিরোধী রাজনীতির স্বরুপ উন্মোচন পৃথিবীর সকল প্রগতিশীলদের কর্তব্য। আমি সারা দুনিয়ার কমিউনিষ্ট ও বামপন্থী দলগুলোকে কমিউনিজমের নামে রেইসিজম চর্চা করা সিপিবি র সাথে সম্পর্কচ্ছেদের আহবান জানাই।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলেএইখানে ক্লিক করুন


Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to