It was a member of the student wing of ruling party who hurled bomb at police officer

The man who threw bomb on the vehicle of assistant police superintendent of Chuadanga yesterday has been identified as Khaliduzzaman Titu, an activist of Chhatra League which is the students’ wing of the ruling Awami League.

Titu was caught when he was fleeing after the bomb attack on the police vehicle. He fell on the ground after being hit by a police bullet and got caught.

Three days ago, PM Sheikh Hasina, who heads Awami League, said that conspiracies were underway to kill some top police officials, to weaken the morale of the police force. The opposition was involved in the conspiracy, she hinted.

We have seen evidence how police force in partisan role are protecting the Awami goons. So, there is no reason for Awami League or Chhatra League to be angry with the police or attack them violently. We have reason to believe that the bomb attack on the police was a ruling party conspiracy to blame it on the opposition. If the Chhatra League activist did not get caught, I am sure, they would have blamed this attack on the opposition BNP and Jamaat.

However, there is a possibility that police will be forced to issue a statement soon declaring that Titu was not at all involved in the bomb attack.

I hope the international community has got to know how Bangladesh is preparing to conduct a “free, fair and all-inclusive” general election.

Click here to read the original Facebook post

চুয়াডাঙ্গায় সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেলের গাড়িতে বোমা হামলাকারী গুলিবিদ্ধ যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে; তার নাম খালিদুজ্জামান টিটু, সে সরকারী দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের একজন কর্মী।

রোববার রাতে চুয়াডাঙ্গা-জীবননগর সড়কের দর্শনা ফিলিং স্টেশনের সামনে পুলিসের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে পালানোর সময় পুলিশের গুলিতে আহত হন তিনি। এ সময় তাকে আটক করে পুলিশ।

ঠিক তিনদিন আগে, নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়ার জন্য এই বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি আভাস দেন বিরোধী দল এই হামলাগুলো পরিচালনা করতে পারে।

আওয়ামী লীগের গুণ্ডাদের পুলিসের আস্কারা দেয়া, পুলিসের সামনে হামলা করলেও তাদের গ্রেপ্তার না করা, তাদের পুলিসের সাথে থেকেই বিরোধীদের উপরে হামলা পরিচালনা করার অসংখ্য প্রমাণ আমরা দেখেছি। তাই ছাত্রলীগের বা আওয়ামী লীগের পুলিসের উপরে আক্রোশ থাকার কোন কারণ নেই।

আমাদের এটা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারন আছে পুলিসের উপরে ছাত্রলীগ পরিচালিত আক্রমণ বিরোধী দলের উপরে দায় চাপিয়ে দেয়ার একটা ষড়যন্ত্র। আমি নিশ্চিত টিটু ধরা না পড়লে এই আক্রমণের দায় জামাত বিএনপির উপরে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হতো।

অবশ্য এখন হয়তো প্রমাণ করার চেষ্টা করা হবে ধৃত যুবক পুলিশের উপরে হামলায় আদৌ যুক্তই ছিলো না।

আশা করি এই ঘটনা থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বুঝতে পারবেন বাংলাদেশে আসলে কী ঘটছে, সরকার কিভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter